যেখানে রুদ্র
জান্নাতুল ফেরদৌস।
১৮-৬-২০২৬
দিন যাচ্ছে
অবাক হচ্ছি।
কোথায় আছি
কেমন আছি।
নিউজ পেপার টিভিতে সোশ্যাল মিডিয়ায়
ডুকতেই পারছি না।
অবাক কান্ড
চারিপাশে নারীদের জীবনে ভয়াবহ দুর্যয়।
কষ্ট হচ্ছে
মেনে নিতে নারী ও শিশু ভয়াবহ ধর্ষণ।
আগুনের পুড়িয়ে
শিরচ্ছে দ মৃত্যু নিশ্চিত করে।
তারপর খান তো
কোথায় আছি।
পৃথিবীর এই বর্বরতার শেষ কোথায়
ওরা মানুষ না জালেম।
দুঃখ হচ্ছে
আমি এই মুহূর্তে।
আলোচনায় ছিলাম
ফ্রান্সে দাদার ভাইয়ের সাথে।
আলোচনা বিশেষ
এবং সতর্ক।
মানুষ রূপে
পশুর আকৃতি।
নির্লজ্জ বেহায়া সমাজ
সুশীলদের মুখে তালা।
নারী নেত্রীরা
তবে কোথায়।
এই ধর্ষণ শিরচ্ছেদের
বর্বরতার নরপশুদের শেষ কোথায়।
অযোগ্য লোকে
বড় চেয়ারে।
চোরের মায়ের বড় গলা
দুর্নীতিবাজদের অবৈধ অর্থ।
টা কা হলেই
যে দেশের সব ম্যানেজ।
বিচার কোথায়
কে করবে নরপশু জালেমদের বিচার।
মাদকের ভয়াবহ থাবা
যখন ধর্ষণ হয়।
নরপশু জালেমরা
বয়স দেখে ধর্ষণ করে না।
সুতরাং পৃথিবীর সকল ধর্ষকের
বিচার হোক প্রকাশ্যে ফায়ার।
অন্ডকোষে
তবে যদি ভালো হয়।
দর্শন বন্ধ হয়
আর কত চোখের পানি ঝরবে।
দুচোখে বর্ষা নয়
নারী শিশুর রক্ত পড়ছে।
আর কবে মানুষ হবে
মানবের ভিতরে পশুর জাগ্রত আকৃতি।
এ সমাজে মানুষ সভায়
মনুষ্যত্ব কজনের।
দিনের পর দিন
চারিদিকে শুধু ধর্ষণ আগুন দাহ শিরচ্ছে দ।
তবুও হয় না
কেন হয় না দর্শকের ফাঁসি।
এত মায়া
ধর্ষকের জন্য কেন।
তবে কি আমরা
সমাজে ধর্ষণ মেনে নিয়েছি।
তবে ধর্ষণের বিচার
প্রকাশ্যে হচ্ছে না কেন।
মানুষ হয়ে
মানুষকে হত্যা।
ফুলের মত নিষ্পাপ শিশুগুলো
অঝরে ঝরে যাচ্ছে।
তবে কোথায়
আমাদের আগামী প্রজন্ম।
এরাও তো
আপুশহীন মানুষ হতে পারতো।
আদর্শ নীতিবান
আজ কোথায় হারিয়ে যাচ্ছে।
নিরপরা দ
ফুলের মত ঘুমিয়ে থাকা।
আগামী ভবিষ্যৎ
এ শহরের ফুলেরা।
ঘুমিয়ে যাচ্ছে
অপরাধী জীবন।
হচ্ছে ধর্ষণ হত্যা শিরচ্ছেদ জ্বালিয়ে পুড়িয়ে
দাহ করা হচ্ছে আমাদের আদর্শ।
এরা নরপশু
এরা জালেম।
এই পৃথিবীতে
প্রভুভক্ত প্রাণী।
কুকুরের ধর্ম আছে
মানুষের আদর্শ নেই।
দুর্ভিক্ষের রুচির
ধ্বংস আর মানব সংস্কৃতি।




0 تعليقات